Description
একজন দ্বীনদার স্বামী শুধু একজন দায়িত্বশীল কর্তা নন, তিনি পরিবারের জন্য একজন নেতা, অভিভাবক ও রহমতের ছায়া। যিনি নিজের জীবনে আল্লাহর বিধানকে অগ্রাধিকার দেন, তিনি স্ত্রী-সন্তানকেও সেই দ্বীনের আলোয় আলোকিত করেন।
দ্বীনদার স্বামীর হৃদয়ে থাকে সহমর্মিতা, মুখে থাকে হিদায়তের কথা, আর আচরণে থাকে মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর আদর্শ। তিনি স্ত্রীকে সম্মান করেন, সন্তানের ভালোবাসায় কোমল হন, এবং সর্বদা পরিবারকে জান্নাতের পথে চলার উৎসাহ দেন।
এমন স্বামী থাকলে সংসারে আসে পরিপূর্ণ শান্তি, ভালোবাসা আর বরকত। দ্বীনই তখন হয় পরিবারের বন্ধনের মূল রশি, আর এই বন্ধনই গড়ে তোলে সুখী, সমৃদ্ধ ও চিরস্থায়ী ভালোবাসার এক জান্নাতি পরিবেশ।
আল্লাহ তায়ালা বলেন –
“তোমাদের মধ্যে যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে, আমি তাদের জন্য একটি পবিত্র জীবনদান করব।”
(সূরা আন-নাহল: ৯৭)


